Words | Mangalesh Dabral

Some words scream
Some take off their clothes
And barge into history.
Some fall silent.

translated by Arvind Krishna Mehrotra

Posted in Translated Poetry | Tagged , , , , | Leave a comment

Frederick Forsyth – Day of the Jackal | a piece of childhood memorabiila

ফ্রেডেরিক ফরসীথের “ডে অভ দা জ্যাকাল” হলো আমার প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে লেখা প্রথম থ্রিলার বই ।

বইটা কিন্তু আমি পড়ি নি. ক্লাস ৬ তে আমাদের ক্লাস শিক্ষক ছিলেন ক্লিফি স্যার (স্বনামধন্য শ্রী ক্লিফোর্ড ড্র্যাগউইজ, সেন্ট ভিনসেন্ট আসানসোল, আর তারপর সেন্ট মেরি’স মাউন্ট আবু’র মিডল স্কুলের সর্বজনপ্রিয় শিক্ষক) – তিনি জানতেন, সারাদিন পড়াশুনো করে, কাঠফাটা রোদ্দুরে বল পিটিয়ে, দিনের শেষ ক্লাসে ছেলেদের পড়াশুনো করার ইচ্ছে বা ক্ষমতা দুটোই থাকবে না। সেই জন্যে সপ্তাহের দুতিনদিন শেষ ক্লাসটি বরাদ্দ থাকতো গল্পের জন্যে। এক একটি গল্প ক্লিফি স্যার দু এক মাস ধরে বলতেন , পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে:
পুরো ক্লাস ৬ তে তিনি আমাদের তিনটে গল্প শোনালেন
১. আরভিং ওয়ালেসের সেকেন্ড লেডি
২. সিডনী শেলডন’এর “দা উইন্ডমিলস অভ দা গড’স “
৩. ফ্রেডেরিক ফরসীথের “ডে অভ দা জ্যাকাল”

তিনটিই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য লেখা থ্রিলার বই, আমাদের মতন কচিকাঁচাদের জন্য ক্লিফি স্যার বলতেন রগরগে অংশগুলি বাদ দিয়ে, বলাই বাহুল্য । থ্রিলার হিসাবে তিনটিই বেশ উঁচু দরের টানটান লেখা, আর ক্লিফি স্যার’এর স্টাইলিশ সপ্রতিভ গলায় সেইটে হয়ে উঠতো অত্যন্ত উপাদেয় একটি বস্তু।

শিক্ষক মাত্রেই ভালো গল্প-বলিয়ে হয়, সেটা বুঝতে পারলাম যখন ক্লাস ৭ আর ৮ এর শিক্ষক-রাও দু তিনটে গল্প বললেন পরের দুই বছরে (সিডনী শেলডন’এর “দা নেকেড ফেস ” ; আর আর্ল স্ট্যানলি গার্ডনারের সাকার পাঞ্চ মনে আছে ) । কিন্তু গল্প বলায় ক্লিফি স্যার এর ধারেকাছে কেউ আসতেন না।

তখন ইন্টারনেট ছিল না, আমাদের স্কুলের উঁচু ক্লাসের লাইব্রেরি থেকে বই ধার করতে দিতো না, (আর ক্লাস সিক্সের লাইব্রেরিতে ফ্রেডেরিক ফরসীথ বা সিডনী শেলডন স্বাভাবিকভাবেই থাকতো না) – আমার মনে আছে অন্য কয়েকজন ছাত্রদের ক্লাস ৭ এর দাদাদের কাছে ঝোলাঝুলি করতে – গল্পের তারপর কী হলো জানার জন্যে । সেকেন্ড লেডি বোধহয় ওপরের ক্লাসকে শুনিয়েছিলেন ক্লিফি স্যার , সেজন্যে ওই চমকদার শেষটা নষ্ট হয়ে গেলো- অভিজিৎ না সৌরভ, কে যেন এসে বললো – জানিস জানিস… স্পয়লার ! ইশশ কী আফসোস ! কী আফসোস! জ্যাকাল শোনানোর সময়, আমাদের পরম সৌভাগ্য, সেটা হয়নি।

যখন ক্লিফি স্যার জ্যাকাল বলছেন – মনে আছে, যখন গল্পের শেষ দিন, তখন টেনশন নেয়ার আমাদের অবস্থাই নেই. দিনের প্রথম সাত-টা ক্লাসে যে কী হলো কেউ জানে না ! টিফিনেও একই কথা আমাদের মধ্যে – কী হবে? কী হবে? শার্ল দে গল বাঁচবেন? না জ্যাকাল ই জিতবে?
তারপর , যখন শেষ হয়ে গেলো , তখন … পুরো ক্লাস থমথমে! বাড়ি ফিরলাম একটা খালি খালি ভাব নিয়ে – গল্পটা শেষ। এবার?

আমার ছোটবেলাটা বড্ড ভালো কেটেছে !

Posted in 01.Blog, Favourites, Unpublished | Tagged , , , , , | Leave a comment

Ghost World – By Daniel Clowes (A review in Bengali)

দেবকুমার মিত্র ভারতবর্ষের সেরা কমিক্স / গ্রাফিক নভেল বোদ্ধা এবং শিক্ষকদের মধ্যে একজন।  আমার সৌভাগ্য-ই বলতে পারেন, যে আমার সুযোগ হয়ে গেলো তাঁর ‘comics and graphic novels appreciation ‘ নামক একটি  অনলাইন কোর্স এ অংশগ্রহণ করার।  একেবারে অজ্ঞ না হলেও (মানে standard stuff , ওয়াচমেন , ডার্ক নাইট রিটার্নস, পার্সেপোলিস, আর বাচ্চা বয়েসে টিনটিন এস্টেরিক্স DC কমিক্স অমর চিত্রকথা নারায়ন দেবনাথ ময়ূখ চৌধুরী – ওসব পড়েছি), জানি কম, বুঝি কম – ন্যারেটিভ ফলো করতেই জানি, ব্রেইডিং – ফেইডিং বুঝি না।  অ্যালিসন  বেকডেল,  স্পিগেলম্যান , স্যাকো – এদের নাম শুনেছিলাম, পড়ি নি।  ম্যাকক্লাউড দের তো নাম ও শুনি নি.  বুঝতাম না, rather . কয়েকটা ক্লাস করে এখন তো মস্তিষ্কের প্যানেল গাটার সবকিছু একসাথে খুলে যাচ্ছে। অসাধারণ , লাইফ-চেঞ্জিং কোর্স একেবারে। এ নিয়ে পরে আবার লিখবো, অন্য কোনো গুডরিডস রিভিউ তে.

যাকগে – ভনিতা শেষ. আমার ২০২১ সালের প্রথম বই হলো একটি গ্রাফিক নভেল, ড্যানিয়েল ক্লোস-এর গোস্ট ওয়ার্ল্ড।

বইয়ের প্রধান চরিত্রদ্বয় ইনিড আর রেবেকা (বেকি), সবেই প্রাপ্তবয়স্কা মার্কিন লেট-টিন , তবে ১৮ বছর বয়েস হলেই কী আর কেউ বড় হয়ে যায়? স্কুল শেষ – তাহলে কী এবার কলেজ? না অন্য কিছু?

তাদের জীবনের এই সময়টার কয়েকটা মাসের দলিল এই বই।  

তারা নিজেদের মতন করে জীবনকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখছে – জীবনকে বুঝতে শিখছে। বন্ধু হলেও – এরা ঠিক জয়-বীরু টাইপের বন্ধু নয়. এ বন্ধুত্বতে গভীরতা আছে, সমন্বয় আছে, একটি হালকা সমকামী আভাস-ও আছে; আবার ঈর্ষা, সন্দেহপরায়ণতা – কিছুমাত্রায় bullying ও নেই তা নয়. অর্থাৎ জটিল সম্পর্ক –

কার্ডবোর্ড ফিল্মি নয়। যেরকম সাধারণ মানুষের হয়।

দুজনের আর্থসামাজিক অবস্থা হয়তো একদম এক-ই নয় , ইনিড উচ্চমধ্যবিত্ত, বেকি হয়তো তার থেকে কিছুটা কম. ইনিড পড়াশুনোয় ভালো, বাবার সামর্থ আছে – হয়তো কলেজে যাবে। বেকি নীল-চোখ, সোনালী-চুল সুন্দরী।  এ নিয়েও দুজনের মধ্যে সামান্য কমপ্লেক্স নেই তা নয়.

দুইজন-ই বেশ নাইহিলিস্টিক, একটু বেশিমাত্রায় সিনিক্যাল, রুঢ়প্রকৃতি এবং রুক্ষভাষী – ১৮-বছরের কিছুটা মিসফিট বাচ্চারা যেরকম হয়. একটি নিতান্তই downmarket কফি-পার্লার-এ বসে আশেপাশের পৃথিবীকে, শহুরে সভ্যতাকে  দেখছে তারা – ব্যাঙ্গ করছে, টিটকিরি দিচ্ছে – আর নিজেদেরকেও চিনতে শিখছে। নিজেদের কমপ্লেক্স, ভয়, সংশয়, নিরাপত্তাহীনতা, একাকীত্ব , ভালোবাসা, রাগ, ঘৃণা, অভিমান – এগুলোকেও বুঝতে শিখছে।

স্লাইস-অফ-লাইফ গল্প এটা – ন্যারেটিভ ফিক্শন নয় , বলাই বাহুল্য যে গল্পের শেষে সাংঘাতিক কিছু একটা উপলব্ধি হবে না – উপলব্ধি ছড়িয়ে আছে বইয়ের প্রতি পাতায়, প্রতি প্যানেলে।

একটা কঠিন প্রশ্ন : বইটা যেহেতু আমার বেশ লেগেছে। তবে একজন তুলনামূলক-ভাবে বয়স্ক পাঠক হিসাবে আঠারো-বছরের চরিত্রদের নিয়ে লেখা বইটার সঙ্গে relate করতে সমস্যা হবে না? মানে, ক্যাচার ইন দা রাই – টাইপের বইয়ের সঙ্গে তো আর মধ্য-তিরিশে relate করা যায় না…

আমার উত্তর – কিছুটা হয়তো হবে. তবে ধরে নিন – ক্যাচার ইন দা রাই – ১৮-বছর বয়স্কদের জন্যেই লেখা। ওই ফোনি হ্যান ফোনি ত্যান মধ্য-কুড়িতেই বেশ meh লাগে। আমার অন্ততঃ ক্যাচার ইন দা রাই সেরকমই লেগেছে।  সেই তুলনায় গোস্ট ওয়ার্ল্ড বোধহয় আপনার পড়ার সেরা সময় ওই মধ্য-কুড়িতেই। গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে একটু বয়সগত দূরত্ব , আর সেই দূরত্বজনিত পার্সপেক্টিভটা হয়তো চরিত্রদের বোঝার জন্য ভালো। সাদা কালোর মাঝখানের জগতের সঙ্গে একটু পরিচয় থাকলেই হয়তো এই বইটা সবচেয়ে ভালো বোঝা যায়।  

তবে আমার মতো বুড়ো হাবড়ার ও তো বেশ লাগলো। পড়ে দেখতে পারেন।

Recommended, and a strong 4 on 5.

(Crossposted at Goodreads)

Posted in 01.Blog, Favourites, Recommendation, Unpublished | Tagged , , , | Leave a comment

India in Australia Sydney 2021

It was a busy morning at work, and there were some Diego-management responsibilities for me too. So, I was watching the final day’s play on the computer, with Diego on my lap, and sometimes having to flip from Video to Audio-only. The match has already been praised to the high heavens, and for reason. It was one for the ages, and it brought back memories.
I was a little bit younger than seven when, sitting with my baba and half-dozing-off, I saw the goal that eventually led to Diego having the name he has. I do not really remember the match. And Diego would not remember this match, jumping about and playing with his excavator toy as he was, while the match was being played out.
But then he will grow up, and he will know that he had watched this match with his baba. And he will hear about this match from me, and from others who would describe it far better than I could.
Just as I do, about that match, all of 34 years hence.


And I would not mind if he names his son Ashwin.

Posted in Unpublished | Tagged , | Leave a comment

First drawing in a million years !

I am attending a pretty exhaustive course on comics and graphic novel appreciation, by the legend that is Debkumar Mitra. It is an absolutely amazing course, from the first two days of attending. I am struggling under the deluge of information, but am learning a bucketload.
Debu da had told us that the way to truly appreciate comics is to get ink on your fingers.
I had previously let him know that I could not even draw a straight line. I have never drawn anything in all my life. Seriously, nothing. Even regular kiddie drawings for Diego – Rashee does. I can write a decent yarn I think, so my plan was to learn how to translate a story to panels…
But the coursework today was to make a panel without words and with a character, which would nevertheless tell a lot that one need to know about that character. So I created a panel / storyline and sent out to the instructor.
But Debu da emailed back — the story is okay, but now you draw. You can do it ….
So I did. My first drawing in 35 years.

Posted in Uncategorized, Unpublished | Tagged | Leave a comment

Reading in 2020

খুব বেশি পড়া হয়নি। সেলস এ কাজ করি- ফোনে ফোনেই তো বচ্ছরকাল কেটে গেলো (আর zoom অফকোর্স )। চাকরী তো বাঁচাতে হবে, তবে তো বইটই ।  

একগাদা সিরিজ দেখেছি নেটফ্লিক্স -এ, প্রাইম -এ — সেক্রেড গেমস, সিরিয়াস ম্যান আগেই পড়া ছিল, সিরিজ দেখে ফেললাম। স্যুটেবল বয় শ – দুয়েক পাতা অবধি এগিয়েছিলাম, তবে সেতো সিন্ধুতে বিন্দু।  সিরিজ দেখে অন্ততঃ শেষ-টা জানা হয়ে থাকলো।  

দশ-এগারোটা বই পড়েছি।

১. যে কথা বলোনি আগে – শ্রীজাত

বিন্দুমাত্র ভালো লাগেনি।  অসম্ভব সুন্দর কবিতা লেখেন ভদ্রলোক, সাদামাটা ভাষায় , সোজা করে, আমাদের মতন গোমুখ্যু, বুদ্ধুরাও যেন বুঝতে পারি। উপন্যাস, নাহঃ।  

২. ছায়া সরণীতে রোহিনী – মতি নন্দী

নিতান্ত-ই সাধারণ-মানের।

মতি নন্দী আমার প্রিয় লেখকদের একজন – এই বইটা না পড়লেই খুশি হতাম হয়তো।  ছোটবেলায় এসব বুঝতে পারতাম না, কিন্তু the male gaze in this novel is seriously disconcerting, আর সেটা একজন পুরুষ হয়েও আমি বুঝতে পারছিলাম।

৩. শারদীয়া কিশোর ভারতী ১৩৮৭

জানুয়ারিতে গড়িয়াহাটে পুরনো বইয়ের দোকান থেকে কিনে আনলাম অনেক দরদাম করে . তারপরে একটু একটু করে হয়তো পুরোটাই পড়ে ফেলেছি এই শাটডাউনের সময়. গল্প উপন্যাস সবগুলোই যে এখনো dated হয়ে যায়নি তা নয়. কয়েকটা গল্প একদম অসাধারণ, কয়েকটা হয়তো এক-দু পাতা পড়েই নামিয়ে রাখতে হয়. কিন্তু এই সব পুরনো জিনিস পড়ার (পড়ার বা নিছক কালেকশনে রাখার) মজাই আলাদা. আমার আসানসোল, আমার গ্রীষ্মকাল, আমার মামার বাড়ি, আর আমার মামার বাড়ির কিশোর ভারতী.

স্মৃতি .

4. What’s Wrong with You, Karthik? – সিদ্ধার্থ বৈদ্যনাথন

অতি-বিখ্যাত ক্রিকেট-লেখক / সাংবাদিক সিদ্ধার্থ বৈদ্যনাথন তথা Sidvee -র এই প্রথম উপন্যাস।

প্রথমেই জানিয়ে রাখি, সিদ্ধার্থ আমার বেশ কাছের এক বন্ধু।  কলেজ-জীবন থেকে চিনি, একসাথে অনেক কুইজ প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েছি, জিতেছি।  Cricinfo -য়  একদম প্রথম থেকে ওর লেখা পড়ি, খুব-ই পছন্দের ক্রিকেট -সাংবাদিকও । বলাই বাহুল্য, খুব একটা নিরপেক্ষ ভাবে বলতে পারবো না – আমার খুব-ই ভালো লেগেছে। কিন্তু গুডরীডস -এ ৪+ রেটিং, গাদাগুচ্ছের সমালোচকদেরও ভালো লেগেছে।  

পড়ে দেখতে পারেন। বোধহয় ভালোই লাগবে। 

৫ আর ৬. বংপেন ৭৫ / বংপেন আরও ৭৫ – তন্ময় মুখার্জী

চমৎকার।

বাণিজ্যক্ষেত্রে একটা কথা আছে – delivering to expectations – সেইটা ভদ্রলোক একদম নিখুঁতভাবে করেছেন। সুন্দর blog লেখেন, এককথায় internet celebrity – ক্ষুদ্র এক একটা অনু-গল্প , ছোট ছোট কিছু অনুভূতি, ছোট্ট একটু ভালো লাগা, ছোট্ট একটু দুঃখ — কখনো কখনো ছোট্ট একটা ‘ যাহ, এই গল্পটা খুব একটা দাঁড়ালোনা, পরেরটায় যাই’… তাতে কোনো দোষ নেই – এই তো জীবন।

ভালো লাগলো।  দুটোই।

৭. Newcomer – কেইগো হিগাশিনো

আমার মতে, পৃথিবীর যাবতীয় এখনো-জীবিত গোয়েন্দা গল্প লেখকদের মধ্যে, জাপানের হিগাশিনো হয়তো প্রথম বা দ্বিতীয় জায়গায় থাকবেন (কানাডার লুইস পেনি -র সাথে ) . হিগাশিনোর ‘ডিটেকটিভ গ্যালিলিও ‘ সিরিজ খুবই বিখ্যাত, কিন্তু তার থেকেও আমার বেশি প্রিয় ‘সার্জেন্ট কিয়োইচিরো কাগা ‘ সিরিজ।  এর প্রথম উপন্যাস, Malice আমার অসাধারণ লেগেছিলো।  Newcomer ও তার থেকে কোনমাত্রায় কম নয়.

৮. The Village by the Sea – অনীতা দেশাই

অক্টোবর-এর প্রথমদিকে অনীতা দেশাই-এর ‘a village by the sea ‘ পড়লাম। আহামরি কিছু লাগে নি। লেখিকার ভাষা সাংঘাতিক সুন্দর – মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী ধীবর-সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার এতো চমৎকার বিবরণ দুর্লভ। কিন্তু চরিত্রদের গভীরতা খুব একটা খুঁজে পেলাম না – গল্পের মধ্যে তাৎপর্যকর কোনো উপলব্ধি নেই। ভাইবোন হরি আর লীলার চরিত্রগুলোকে যেন ঠিক পুরো বুঝে উঠতে পারলাম না। লীলাকে তাও কিছুমাত্রায় বুঝতে পারি – হরিকে একটুও না। উপন্যাসটি হয়তো কিশোর-উপন্যাস হিসাবে কিছুমাত্রায় চলতে পারে। কিন্তু মনে খুব সাংঘাতিক দাগ কাটলো না। পড়া যায়, যদিও। লেখিকার ভাষা সাবলীল, সংযত ।

৯. আদর্শ হিন্দু হোটেল – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

অক্টোবর – এর শেষে আর নভেম্বর-এ পড়লাম বিভূতিভূষণ-এর আদর্শ হিন্দু হোটেল।

পড়ে মুগ্ধ হলাম। অনীতা দেশাই-এর উপরোক্ত বইটির সঙ্গে হয়তো কিছুটা মিল রয়েছে , গ্রাম্য সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের সুন্দর বিবরণে – কিন্তু শ্রীমতি দেশাই-এর লেখা পড়ে যেন পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় যে তিনি উপন্যাসটি একজন বহিরাগতর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লিখলেন – চরিত্রদের যেন ঠিক ধরে উঠতে পারলেন না । বিভূতিভূষণ অপরদিকে যেন তাঁর মূল চরিত্র হাজারি দেবশর্মার মনের মধ্যে প্রবেশ করে তাঁর বইটি লিখেছেন। বিভূতিভূষণের বেশি কিছু পড়া হয়নি – সময় হলে আরো পড়বো , ইচ্ছে রইলো।

১০. কেরী সাহেবের মুন্সী – প্রমথনাথ বিশী

এইটে এখনো পড়ছি।  শেষ হয়ে এলো বলে।  সাংঘাতিক জিনিস। শেষ হলে ভালো করে জানাবো।

আর…

১১. The Story of Ferdinand – মনরো লীফ

এই বইটি হয়তো খান-দশেক-বার পড়া হয়েছে। আমার খুদে পুত্রের প্রথম তথা প্রিয় বই – বারবার না পড়ার উপায় আছে?

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Reading in October and November 2020

A Village by the Sea – Anita Desai

and

Adarsha Hindu Hotel – Bibhutibhushan Bandyopadhyay

………..

অক্টোবর-এর প্রথমদিকে অনীতা দেশাই-এর ‘a village by the sea ‘ পড়লাম। আহামরি কিছু লাগে নি। লেখিকার ভাষা সাংঘাতিক সুন্দর – মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী ধীবর-সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার এতো সুন্দর বিবরণ দুর্লভ। কিন্তু চরিত্রদের গভীরতা খুব একটা খুঁজে পেলাম না – গল্পের মধ্যে তাৎপর্যকর কোনো উপলব্ধি নেই। ভাইবোন হরি আর লীলার চরিত্রগুলোকে যেন ঠিক পুরো বুঝে উঠতে পারলাম না। লীলাকে তও কিছুমাত্রায় বুঝতে পারি – হরিকে একটুও না। উপন্যাসটি হয়তো কিশোর-উপন্যাস হিসাবে কিছুমাত্রায় চলতে পারে। কিন্তু মনে খুব সাংঘাতিক দাগ কাটলো না। পড়া যায়, যদিও। লেখিকার ভাষা সুন্দর, সাবলীল, সংযত ।

তারপর অক্টোবর – এর শেষে আর নভেম্বর-এ পড়লাম বিভূতিভূষণ-এর আদর্শ হিন্দু হোটেল। পড়ে মুগ্ধ হলাম। অনীতা দেশাই-এর উপরোক্ত বইটির সঙ্গে হয়তো কিছুটা মিল রয়েছে , গ্রাম্য সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের সুন্দর বিবরণে – কিন্তু শ্রীমতি দেশাই-এর লেখা পরে যেন পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় যে তিনি উপন্যাসটি একজন বহিরাগতর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লিখলেন – চরিত্রদের যেন ঠিক ধরে উঠতে পারলেন না । বিভূতিভূষণ অপরদিকে যেন তাঁর মূল চরিত্র হাজারি দেবশর্মার মনের মধ্যে প্রবেশ করে তাঁর বইটি লিখেছেন। বিভূতিভূষণের বেশি কিছু পড়া হয়নি – সময় হলে আরো পড়বো , ইচ্ছে রইলো।

Posted in Recently Read | Tagged , , , , , , | Leave a comment

Baby steps at Chess, and the London Opening

I used to be a very under-trained chess player. I had read up a few openings (in the days when chess books were a thing), and would only play those.

I wold beat untrained players easily, even if they were good- I would make few mistakes. And I would get confused with anything out of the ordinary, and would get trapped into unequal middle-games and struggled to survive against any half-decent club-level player.

Credentials: I played sixth board for our (massively large omnipresent IT firm) company’s Bangalore office’s chess team in a corporate tourney. Then I quit playing for 15 odd years.

The last time I played, was in an intra-office tournament – Swiss format, where I was torn a new one by a FIDE Master-level colleague, who was playing a formation which he later told me was the London Opening. I remember that it was like beating my head against a brick wall.

Here is the London opening.

And here’s to restarting Chess. I plan to teach the game to my boy in a year’s time.

The London System, from GothamChess on Youtube

Posted in Sports, Unpublished | Tagged , , | Leave a comment

হৃদি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে – জয় গোস্বামী

অতল, তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে চিনতে পারিনি বলে
হৃদি ভেসে গেল অলকানন্দা জলে

করো আনন্দ আয়োজন করে পড়ো
লিপি চিত্রিত লিপি আঁকাবাঁকা পাহাড়ের সানুতলে
যে একা ঘুরছে, তাকে খুঁজে বার করো

করেছো, অতল; করেছিলে; পড়ে হাত থেকে লিপিখানি
ভেসে যাচ্ছিল–ভেসে তো যেতই, মনে না করিয়ে দিলে;
–’পড়ে রইল যে!’ পড়েই থাকত–সে-লেখা তুলবে বলে

কবি ডুবে মরে, কবি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে।।

Posted in Bengali Poetry, Favourites | Tagged , , , , , , , , | Leave a comment

Javagal Srinath: a memory

শ্রীনাথ কে নিয়ে একটা গল্প বলি।

বাঙ্গালোরে একটা ক্রিয়েটিভ রাইটার্স ওয়ার্কশপ আছে (আমি সেটার প্রাক্তনী) – সেখানকার একজন লেখক – একটা বেশ রগরগে থ্রিলার লিখেছিলো। প্রকাশিত-ও হলো সেটা। সেই বইটার উদ্বোধনে (যাকে ‘বুক লঞ্চ’ বলে) শ্রীনাথ সাহেব এসেছিলেন। নিপাট ভদ্রলোক, সদাহাস্যময় , স্বল্পবক্তা — সেই সময়ের কর্ণাটকের খেলোয়াড়দের টিভিতে যেরকম মনে হতো – দ্রাবিড়, কুম্বলে, প্রসাদ – একেবারে সেরকম.

এদিকে, যে বইটার উদ্বোধনের জন্যে এসেছেন, সেই বইতে একজন চরিত্র রয়েছে – যে কিনা একজন কাশ্মীরি ফাস্ট বোলার – কারণ বাকি ভারতে তো ঠিক ফাস্ট বোলারোচিত শারীরিক গঠন বা ডায়েট হয় না …. (এসব রীতিমতো বই-তে লেখা )

Co -alumni বই লিখেছে , অডিয়েন্স থেকে দু একটা তালি তো মারতেই হবে – বইটা আহামরি কিছু না লাগলেও (সে ছেলেটাও facebook এ আছে, এ স্মৃতি-টা খুব মনঃপূত নাও হতে পারে তার। বাংলা পড়তে পারবে না যদিও)… তবে আমরা বসে বসে মজা দেখছি – এবার শ্রীনাথ বাবু কিছু sarcastic বলবেন। আমরাও একটু point -and -laugh করবো।

নাঃ তিনি শুনলেন, হালকা একটা হাসি দিলেন, আর শুনেই নিলেন। শেষে আমাদের ওয়ার্কশপ এর কর্ণধার ভদ্রমহিলা – তিনি-ই বললেন : ভাই, তোমার সঙ্গে একই টেবিলে বসে রয়েছে ভারতের সর্বকালের দ্রুততম বোলার , সে কিন্তু আমাদের কর্ণাটক থেকেই এসেছে, আমাদের মতন রসম ভাত খেয়েই বড় হয়েছে।

তা শুনে ভ্যাবাচাকা খেয়ে আমাদের লেখকপ্রবর যখন আমতা আমতা করছেন – আমাদের হিহি হিহি যখন এই অট্টহাস্যে পরিণত হবে আর কি – তখন অবস্থা সামলালেন কে? জাভাগল শ্রীনাথ।

আরেকটা ছোট্ট হাসি আমাদের উপহার দিয়ে তিনি বললেন যে – হ্যাঁ , আমরা যখন ভারতের হয়ে প্রথম প্রথম খেলতে যাই, তখন বাকিরাও এরকম ভাবতো না তা নয়। তবে ……… ঠিক আছে. পারফরমেন্স-টাই বড় জিনিস।

সামনে থেকে দেখলে বোঝা যায়, বিশাল লম্বাচওড়া ভদ্রলোক। কথাটথা বলার সুযোগ হয়নি কখনো, কিন্তু ওই ছোট আলাপচারিতা থেকে মনে হয়, মানুষ হিসেবেও হয়তো তার কাছাকাছিই হবেন।

Posted in Sports, Unpublished | Tagged , | Leave a comment